যখন কেউ ছিল না, তখন আল্লাহ তায়ালাই ছিলেন

 যখন কেউ ছিল না, তখন আল্লাহ তায়ালাই ছিলেন

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম 

ভূমিকা

জীবনে এমন কিছু সময় আসে, যখন চারপাশে মানুষ থাকলেও ভেতরটা হঠাৎ করে খুব ফাঁকা লাগে। কথা বলার মানুষ থাকে, কিন্তু মনের কথাগুলো বলার মতো কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় না। চোখের পানি লুকিয়ে রাখতে রাখতে একসময় মনে হয়—“আমাকে কি কেউ বুঝবে না?” ঠিক সেই নিঃশব্দ মুহূর্তগুলোতেই আমি বুঝেছি, যখন কেউ ছিল না, তখন আল্লাহ তায়ালাই ছিলেন।

এই লেখাটা কোনো বইয়ের কথা নয়, কোনো উপদেশমূলক বক্তৃতাও নয়—এটা আমার জীবনের সাথে আল্লাহ তায়ালার সম্পর্কের কিছু নীরব গল্প, যেগুলো হয়তো অনেকেই অনুভব করেছে, কিন্তু ভাষায় আনতে পারেনি।

এই লেখাটা আমি লিখছি তাদের জন্যও, যারা আজ চুপচাপ কষ্টে আছে। যারা কাউকে বলতে পারে না, কিন্তু আল্লাহর কাছে বলতে চায়। যারা হয়তো ভাবছে—“আমার দোয়া কি আদৌ শোনা হচ্ছে?” এই লেখার প্রতিটা লাইনে আমি শুধু আমার গল্প বলছি না, আমি বলতে চাই—আপনি একা নন।




১. আল্লাহ তায়ালার সাথে সম্পর্ক—যা চোখে দেখা যায় না

আল্লাহ তায়ালার সাথে সম্পর্কটা অন্য সব সম্পর্কের মতো না। এখানে কথা বলার জন্য শব্দ লাগে না, দেখা করার জন্য সময় ঠিক করতে হয় না। শুধু একটা ভাঙা মন, আর একটু বিশ্বাসই যথেষ্ট।আল্লাহ তায়ালাকে তো কিছু বলার জন্য মুখে বলার প্রয়োজন পড়ে না। মুখে না বললেও তিনি আমাদের অন্তরের কথাগুলো শোনেন আলহামদুলিল্লাহ। 

জানেন এমন অনেকবার হয়েছে, যখন আমার কিছু প্রয়োজন ছিল, যা আমি কাউকে বলিনি। শুধুমাত্র মনে মনে ভেবেছি যে আমার এটা প্রয়োজন, খুবই আশ্চর্যজনকভাবে সে জিনিসটা আল্লাহ তায়ালা আমার কাছে  পাঠিয়েছেন। একবার না এমন অনেক বার হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ। 

তাই মানুষ যখন বলে, “সময় সব ঠিক করে দেবে”, তখন একজন মুমিন জানে—সময় না, আল্লাহ তায়ালাই সব ঠিক করেন।

আল্লাহ তায়ালা নিজেই কোরআনে বলেছেন—

“আমি মানুষের ধমনীর চেয়েও তার কাছে বেশি নিকটবর্তী।”

এই আয়াতটা যখন বুঝতে শিখেছি, তখন আর একা লাগেনি। কারণ যিনি আমার ভেতরের কষ্ট জানেন, তাকে আর আলাদা করে বোঝাতে হয় না।

২. একা থাকার সময়গুলোই আল্লাহকে সবচেয়ে কাছে এনেছে

জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময়গুলোই আমাকে আল্লাহর সবচেয়ে কাছে নিয়ে গেছে। যখন সব দরজা বন্ধ মনে হয়েছে, তখনই বুঝেছি—আল্লাহর দরজা কখনো বন্ধ হয় না।

এই কাছাকাছি থাকার সবচেয়ে বড় প্রমাণ আমি পেয়েছি জীবনের এমন এক সময়ে, যেখানে যুক্তি, সাহস, কিংবা পরিচিত মানুষ—কোনোটাই আমার পাশে ছিল না। ছিল শুধু এক আল্লাহর উপর নির্ভরতা।

আজ আমি আপনাকে বলব আমার জীবনের সেই মুহূর্তের কথা, যেই সময় আমার মনে হয়েছিল এত বড় পৃথিবীতে  আমি একা, আমার কেউ নেই । একবার আমার একজন কাছের মানুষ, যে ভীষণ বিপদে ছিল কোনভাবে তাকে কেউ ফাঁসিয়ে দিয়েছিল। তো তাকে উদ্ধার করার জন্য আমার কোর্টে যাওয়ার প্রয়োজন পড়েছিল। আমি কখনো কোর্টে যাইনি। এমনকি কোর্ট কখনো দেখিওনি সরাসরি । তারপর অটোতে উঠলাম কোর্টে যাওয়ার জন্য, সে একই অটোতে একজন পুলিশ উঠেছিল। সে যাচ্ছিল কোটে সাক্ষী দেয়ার জন্য। কথায় কথায় জিজ্ঞাসা করল আপনাদের মামলাটা কিসের। 

তখন সে আমাকে হাইকোর্টের একটা উকিলের নাম্বার দিল। বলল প্রয়োজন পড়লে আপনি তাকে কন্টাক করতে পারেন। তারপর আমি একজন উকিল ধরলাম সে বলল আমি আপনাকে কাজটা করে দেব। আর আমার কাছ থেকে কিছু টাকা নিল, বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করার জন্য। তারপরে সে আমাকে বলল যে কাজটা করতে আরো দেড় মাস সময় লাগবে। আমি ভাবলাম এখনো দেড় মাস। এটা তো অনেক লম্বা সময়। আমি হাইকোর্টের সেই উকিল টাকে কল দিলাম। তাকে জানালাম সব বিষয়গুলো। তারপরে সে সিরিয়াল নাম্বার দেখে বলল, আপনাদের কেসটা কালকেই জামিন হবে। 

আপনাদের উকিল কে মুভ করতে বলেন। আমি তো ভীষণ অবাক হলাম। আমার উকিল কিনা বললো দের মাস লাগবে, আর এই উকিল বলে কি কালকেই হবে। আমি আমার উকিল কে ফোন দিলাম, এবং তাকে বললাম আমাদের কেসটা নাকি কালকেই জামিন হতে পারে, আপনি যে আমাকে বললেন দেড় মাস লাগবে। সে বলল ঠিক আছে দেখছি। সুবহানাল্লাহ আমি কল্পনাও করতে পারিনি সত্যি সত্যিই জামিনটা পরের দিন হয়ে গেছে। এখন আমার উকিল আমাকে বলে সে যেই টাকাটা আমার কাছে চেয়েছিল তার দ্বিগুণ টাকা লাগবে, তা না হলে আসামি এখন বের হবে না। আর টাকাটা আজকেই লাগবে।

আমি তো ভীষণ চিন্তিত হয়ে পড়লাম। কিভাবে এতগুলো টাকা ম্যানেজ করব। আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না, যা আল্লাহ তায়ালা আমাকে এমন ভাবে সাহায্য করলেন,যা আমি নিজেও কল্পনা করতে পারেনি। তিনি এত সুন্দরভাবে সবকিছু সম্পন্ন করেছেন যা কোন মানুষের জন্য কখনোই সহজ ছিল না। তাহলে বুঝতে পারছেন যেই মানুষটা কিনা কোর্ট চেনে না, কখনো নিজ চোখে কোর্ট দেখেনি, একা মেয়ে মানুষ হয়ে, সে কিনা হাইকোর্ট করে কাউকে বের করে আনে। এটা কি আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কখনোই সম্ভব ছিল। না কখনোই সম্ভব ছিল না। আর আমার জন্য তো কখনোই না। 

সেদিন আমি বুঝেছিলাম—আল্লাহর সাহায্য মানে শুধু মুজিযা না। কখনো তিনি সঠিক মানুষকে ঠিক সময়ে পাঠিয়ে দেন। কখনো এমন রাস্তা খুলে দেন, যা আমরা কল্পনাও করিনি। আর তখন বোঝা যায়, ভরসা করলে তিনি কখনো নিরাশ করেন না।

 এটা আমার জীবনের শুধুমাত্র একটা গল্প বললাম আপনাকে। এমন আরো অনেক গল্প আছে। যে প্রত্যেকটি মুহূর্তে আল্লাহ তায়ালা আমার পাশে থেকে আমাকে সাহায্য করেছেন আলহামদুলিল্লাহ। আমার জীবনের বিভিন্ন কঠিন সময়ে তিনি আমার পাশে থেকেছেন। সব সময় আমাকে সাহায্য করেছেন আলহামদুলিল্লাহ। কেউ যদি মন থেকে চায় এবং আল্লাহ তায়ালার উপর ভরসা রাখে তাহলে নিশ্চয়ই সে সফল হবেই ইনশাআল্লাহ। 


৩. আল্লাহর সাহায্য সবসময় শব্দ করে আসে না

অনেকে ভাবে আল্লাহর সাহায্য মানেই অলৌকিক কিছু। কিন্তু বাস্তবে আল্লাহর সাহায্য আসে নীরবে—

  • হঠাৎ মনটা শান্ত হয়ে যায়
  • সিদ্ধান্ত নেওয়ার শক্তি পাওয়া যায়
  • কষ্টের মাঝেও টিকে থাকার সাহস আসে
  • এই ছোট ছোট জিনিসগুলোই প্রমাণ করে, আল্লাহ তায়ালা তখনো পাশে ছিলেন।

৪. দোয়া ভাঙা কণ্ঠে হলেও আল্লাহ শোনেন

অনেক সময় দোয়া করতে গিয়ে গলা ধরে আসে, শব্দ বের হয় না। কিন্তু আল্লাহ তায়ালার কাছে শব্দ নয়, মনের অবস্থা পৌঁছে যায়।

আমি এমন সময় দোয়া করেছি, যখন কিছুই চাইতে পারিনি—শুধু বলেছি,

“হে আল্লাহ, তুমি জানো…”

আমার জীবনে এমন একটা মুহূর্ত এসেছিল যখন আমার পাশে কেউ ছিলনা আমার বাবা-মা, ভাই বোন, আত্মীয়-স্বজন, এমনকি আমার জীবন সঙ্গীও না। ঠিক সেই মুহূর্তে আমার রব ছিলেন আমার পাশে। আমি কিছু বলতে পারতাম না তাকে। শুধু দু চোখ দিয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়তো। আমার অন্তর শুধু একটি কথাই বলতো হে আল্লাহ তুমি জানো আমার অন্তরে কি আছে। সেই সময়টা আমি কাউকে পাশে পাইনি। আলহামদুলিল্লাহ আমার রব আমাকে সমস্ত বিপদ থেকে উদ্ধার করেছে। তিনি সবসময় আমাকে সাহায্য করেছে। 

এই ভরসার শিক্ষা আমি শুধু বড় হয়ে পাইনি। আল্লাহ তায়ালা খুব ছোট বয়স থেকেই আমাকে শিখিয়েছেন—তিনি কীভাবে অসম্ভবকে সম্ভব করেন।

"জানেন একবার আমি যখন ছোট ছিলাম ক্লাস ফাইভে পড়তাম। আলহামদুলিল্লাহ আমি একজন ভালো ছাত্রী ছিলাম।"

 "কিন্তু অসুস্থতার কারণে একটা পরীক্ষা আমার মনে হচ্ছিল হয়তো খারাপ হয়ে গেছে।"

 "ক্লাস ফাইভে আমি বৃত্তি পরীক্ষা দিচ্ছিলাম সেই সময় একটা পরীক্ষা আমার খারাপ হয়েছে।"

"আমি ভীষণ কান্নাকাটি করছিলাম। এবং আল্লাহ তায়ালাকে বললাম, হে আল্লাহ আমি কি তাহলে আর ভালো রেজাল্ট করতে পারবো না?"

 "ছোট ছিলাম তো। মনে হতো রেজাল্ট খারাপ করলে মনে হয় সবকিছু শেষ। তো রেজাল্ট বের হলো যখন, আমার স্কুলের পরিচালক সে একদিন বাসায় এসে হাজির। "

তার কথা শুনে আমি যেন আকাশ থেকে পড়লাম। আমি ভাবতেই পারিনি, এমনকি কল্পনাও করতে পারিনি, যা হয়েছে।

 "তিনি আমাকে বললেন, নিশি তুমি শুধু বৃত্তি পাওনি, তোমরা মোট পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছো। সেই ৫ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে তুমি প্রথম স্থান পেয়েছো।"

“আমার রব আমাকে এমনভাবে দিয়েছেন, যার শুকরিয়া আদায় করে আমি কখনো শেষ করতে পারবো না।”

এমনভাবেই আমার জীবনে এমন অনেক ঘটনা আছে যা আমার কাছেও অবিশ্বাস্য মনে হয়। আমার রব দয়ালুদের মধ্যেও সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু। 

৫. মানুষ ছেড়ে গেলেও আল্লাহ কখনো ছেড়ে যান না

জীবনে কিছু মানুষ আসে, আবার কিছু মানুষ চলে যায়। কেউ কথা দিয়েও পাশে থাকে না, কেউ প্রয়োজন ফুরোলেই দূরে সরে যায়। কিন্তু আল্লাহ তায়ালা কখনো বলেন না—

“তুমি বেশি চাইছো”

“এখন সময় নেই”

তিনি শুধু বলেন—

“ডাকো, আমি সাড়া দেবো।”

৬. কষ্টের ভেতর লুকানো আল্লাহর রহমত

অনেক কষ্ট আমরা তখন বুঝি না, কেন এসেছে। পরে ফিরে তাকালে দেখি—

  • ওই কষ্টটা না এলে আমি বদলাতাম না
  • ওই ব্যথাটা না পেলে আমি আল্লাহর কাছে ফিরতাম না
  • আল্লাহ তায়ালার অনেক রহমতই আসে কষ্টের পোশাক পরে।


“নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই স্বস্তি রয়েছে।” (সূরা আশ-শরহ-৬)

৭. আল্লাহর সাথে আমার সম্পর্ক—ভয় নয়, ভরসার

"আমি আল্লাহকে ভয় করি, কিন্তু তাঁর ওপর তার চেয়েও বেশি ভরসা করি"। 

কারণ আমি জানি—

  • তিনি জানেন আমি কী সহ্য করতে পারি
  • তিনি জানেন কখন আমাকে থামাতে হবে
  • আর কখন আমাকে আবার উঠিয়ে দাঁড় করাতে হবে।

আমি ভেঙে পড়েছিলাম, কিন্তু আল্লাহ আমাকে ভেঙে পড়তে দেননি।”

আমার জীবনে যদি সেই বিপদের সময়গুলো না আসত। তাহলে হয়তো আমি চিনতে পারতাম না সবাইকে। এই বিপদই তাঁর আপন মানুষদের চিনতে সাহায্য করে। তাঁর আত্মীয়-স্বজন, পরিবার-পরিজন, বন্ধুবান্ধব সবাইকে। আমি বিশ্বাস করি একমাত্র আল্লাহ তা'আলা আমাদের উত্তম সঙ্গী। উত্তম অভিভাবক। "তিনি ব্যতীত কেউই ছিলেন না, এখনো নেই, আর কখনো হবেনও না।"

৮. নীরব সাহায্যগুলোই সবচেয়ে বড় প্রমাণ

আমার জীবনে এমন অনেক সাহায্য আছে, যেগুলো আমি তখন বুঝিনি। পরে বুঝেছি—

  • একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া থেকে বেঁচে যাওয়া
  • একটা খারাপ রাস্তা থেকে ফিরে আসা
  • একটা ভুল মানুষের কাছ থেকে দূরে সরে যাওয়া

এসবই আল্লাহ তায়ালার নীরব হেফাজত—যা আমরা বুঝি অনেক পরে।

৯.  আল্লাহর সাথে সম্পর্ক মানে সব ঠিক হয়ে যাওয়া না

"আল্লাহর সাথে সম্পর্ক মানে এটা নয় যে জীবনে আর কষ্ট আসবে না।"

বরং এর মানে হলো—

কষ্ট আসবে, কিন্তু আমি একা থাকবো না।

আমার জীবনে যখনই কোন কষ্ট এসেছে,ঠিক সেই মুহূর্তেই আমি আল্লাহ তায়ালাকে আরও বেশি করে অনুভব করেছি। তাঁর সাহায্যগুলো আমার কাছে আরও বেশি করে এসেছে। আমার অন্তরে এমন এক শান্তি অনুভব করেছি যা আগে কখনো বুঝিনি। কেবল কষ্টের সময়েই আমি এমন এক প্রশান্তি অনুভব করেছি, যা কষ্ট ছাড়া আর কোনো সময় বোঝা যায় না। তাই কষ্টও আল্লাহ তাআলার একটি বড় অনুগ্রহ। 

উপসংহার

আজ এতগুলো গল্প একসাথে ভাবলে বুঝি—আল্লাহ তায়ালার সাথে সম্পর্ক কোনো একদিনের না। এটা ধীরে ধীরে তৈরি হয়, কষ্টের ভেতর দিয়ে, চোখের পানির ভেতর দিয়ে, আর নীরব ভরসার মাধ্যমে।প্রতিটি মানুষের জীবনই একেকটি গল্প। কেউ যদি তা গুছিয়ে লেখে তাহলে একটি উপন্যাস হয়ে যাবে। হয়তো কেউ কারো জীবনের কিছু কিছু গল্প মাঝে মাঝে অন্যের সাথে শেয়ার করে। আবার কারো জীবনের গল্পগুলো অজানাই থেকে যায়। 

আজ আমি পেছনে তাকিয়ে একটাই কথা বলতে পারি—

যখন কেউ ছিল না, তখন আল্লাহ তায়ালাই ছিলেন।

তিনি ছিলেন আমার ভরসা, আমার শক্তি, আমার নীরব সঙ্গী।

যদি এই লেখাটা পড়ে কেউ মনে করে, “আমার জীবনেও এমন হয়েছে”—তাহলে জেনে রাখুন, আল্লাহ তখনও ছিলেন, এখনো আছেন, এবং আগামীতেও থাকবেন।

“হয়তো আজ আপনি একা, কিন্তু আল্লাহ কখনো আপনাকে একা রাখেননি।”

কারণ আল্লাহ তায়ালা কাউকে একা ছেড়ে দেন না—আমরাই অনেক সময় তা বুঝতে দেরি করি। 🤍

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

ড্রিমিক্স আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url